শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২১

যাদের বাবা আছে তাদের জন্য আমার এই লেখা

 ফকির আজিম বিন শীহাব 

বাবা সেতো এক বট বৃক্ষ,
ক্লান্তিহীন এক ছায়া,
নিজের জৌবন দিয়ে মোদের,
শূন্য করে কায়া।

আসলাম যবে মার জঠরে,
করলো আমায় মায়া,
বাবা নিলো দায়িত্ব মোড়,
দিলো তুলনাহীন ছায়া।

কাজে দেয়না বাবা আমায়,
কষ্ট পাবো তাই,
রোদ বৃষ্টি জরো হাওয়ায়,
বাবার শান্তি নাই।

ছিলো যতো আবদার আমার,
সাধ্য যদিও নাই,
হাসি মুখে করতো পূরণ,
বাবার মমতা তাই।

বাবার গায়ে পূরানো জামা,
চপ্পল লুঙ্গি লয়ে,
ঈদগাহেতে নিতো আমায়,
নতুন সব পরিয়ে।

আনন্দহীন মানুষের জন্য লেখা

 ফকির আজিম বিন শীহাব


আজি নিরানন্দ আমি
কুয়াশায় আচ্ছন্ন মোর জীবন,
এ যেনো চৈত্রের খড় রোদ্রে,
মেঘ ডাকা আকাশের গর্জন।

ফুরালো যেনো জীবনের সব লেনদেন,
শরতের পানির ভাটার স্রোতো,
ভেজা মাটির দূর বন্ধের মতো,
বিষাদ হলো আজ আমার জীবন।

হাল ভেঙ্গে যে নাবিক হারায় দিশা,
পথ হারিয়ে যে পথিক হয়ে যায় ভোলা,
আমিও তেমনি একজন,
আজি নিরানন্দময় আমার

ফকির সাহেবের চাওয়া পাওয়ার বেরা জাল



পাইনা যাহা চাই আমি,

চাইনা যাহা পাই,

খাইনা যাহা পাই আমি,
পাইনা যাহা খাই।

 
দেয়না যাহা দেওয়ার কথা,
চাইনা যাহা দেয়,
নেয়না যাহা নেওয়ার কথা,
নেয় যাহা না দেয়।

কয়না যাহা কওয়ার কথা,
কয় যাহা না সয়,
লয়না যাহা লওয়ার কথা,
লয় যাহা হয় ক্ষয়।

ফিরাই না যা ফিরানোর কথা,
ফিরায় যা না হয়,
ঘুরাই না যা ঘুরানোর কথা,
ঘুরাই করে হেও।

টাকা যে কি জিনিস তুলে ধরেছেন ফকির সাহেব তার লেখা কবিতায়

 

               টাকা

ফকির আজিম বিন শীহাব 

টাকার কাছে ভালোবাসা বড়ই অসহায়,
টাকায় যেনো জীবনের সব টাকায় অহংকার।

টাকা থাকলে সবই থাকে বাড়ি গাড়ি নারী,
টাকার কাছে সবাই ধরা যতো হুর পরী।

টাকার গন্ধে মনানন্দে করে ঘুরঘুট্টি,
টাকায় যেনো সব কিছু আবেগ অনুভূতি।

টাকা ছাড়া কারো কাছে নাইকো কোনো দাম,
টাকার জন্য অজ্ঞরা হয় সমাজের কান্ডার।

টাকা থাকলে আপন যারা করে ছুটাছুটি,
না থাকিলে দারুন টাকা আপন দূরে পারি।

থাকতো যদি বাড়ি গাড়ি থাকতে না আর ভুলি,
নাই বলেইতো আজ তুমি বড়ই অভিমানী।

অসাধারণ কবিতা কিখেছেন ফকির সাহেব।

              মা

ফকির আজিম বিন শীহাব।


আমি জন্নাত দেখিনি মা,
আমি দেখেছি তোমার মুখ,
আমি শান্তি পাইনি মা,
আমি দেখেছি তোমার সুখ।

আমি কষ্টি পাথর দেখিনি মা,
দেখেছি তোমার চোখ,
আমি হিমালয় কবো ও দেখিনি মা,
 দেখেছি তোমার দুখ।

আমি বরকে কখনো দেখিনি মা,
যার দয়া অফুরান,
আমি দেখেছি তোমার দয়া মাগো,
তুমি কতইনা মহান।

বীনা স্বার্থে কেউ ধরাতে,
থাকেনা কারো পাশে,
স্বার্থ বিহীন তুমিইতো মা,
থাকো সবার শেষে।


লেখক কারা হতে পারে ফুটে উঠেছে ফকির সাহেবের এই কবিতায়।

 

ফকির আজিম বিন শীহাব


সবাই পারেনা লিখতে কবিতা,
কবিতার মূল ভাব হলো সবিতা।

সবিতার সাথে থাকলে মিতা,
তবেই লিখতে পারবে কবিতা।

মন হলে আনমনা তিতা,
তবেই পাবে দেখা কবিতা।

অখন্ড মন আর জ্বলাপোরা মাথা,
কলম হাতে নিয়ে লিখলেই হবে কবিতা।

জীবন যদি হয় পৌষের ভিজে কাতা,
ভাব আসে তখন মনে আসে সবিতা।

দেখা যদি হয় তব অন্তর আত্তা,
দুয়ের মিল হলে তবে হয় কবিতা।

সময়ের কাজ

 ফকির আজিম বিন শীহাব 

গুছিয়ে নাও সব কিছু আছে যাহা নাসি,
সময় নাই হাতে তোমার দিচ্ছে কর্শী।

ভাবছো তুমি সময় আছে হাতে অনেক বেশী,
এই ভাবনায় মত্ত তুমি হয়ে আছো খুসি।

কর্ম করো ভালো আর পাল্লা গুণো আশি,
শেষ বিছানা হবে তোমার রবি আর শশি।

সময়ের কাজ সময়ে করো পারলে করো বেশী,
সময় পেয়ে কাজ না করলে পরবে গলায় ফাঁসি।

সময় পেয়ে জুরাইলে তুই বন্ধু বান্ধব খেসি,
বিদায় বেলায় জীবন ডায়রি হয়ে যাবে বাশি।

খেয়াল তামাশা ছেড়ে দিয়ে নাম জপো তার বেশী,
পর পাড়ের মালিক যিনি হবেন তিনি খুশি।

খোব সুন্দর একটি কবিতা।

                     স্বপ্ন  

ফকির আজিম বিন শীহাব


রোজ নাম তুমি কোহেলিকার মতো,
ঘোড়ো মোর স্বপনে,
তুমিও কি দেখো আমায়?
যেমন দেখি মুই তোমাকে।

দগ্ধ দেহ অনলে আমার,
তোমার বিরহের তরে,
সত্যিই কি ভেসেছিলে ভালো?
নাকি নাচালে তুমি মোড়ে।


যা হয়েছে ভালোই হয়েছে,
এখনো ভালো চলে,
এর চাইতেও ভালো আমার,
আসছে সামনের দলে।

ভুলে যেও আমায় তুমি,
আমিও ভুলার তরে,
এসো না আর কবোও তুমি,
মোড় স্বপ্নের ঘড়ে।

বিদায় জানালাম তোমায় আমি,
 আঁখির নিদ্রার ঘড়ে,
ভুলেও আর তাকাবোনা ফিরে,
এই জীবনের তরে।

আমার লেখা কবিতা।


            জীবন।

ফকির আজিম ইবনে শীহাব


জীবন তোমার প্রকৃত রুপ কি?
বিশাল অট্রালিকা,
নাকি প্রাচুর্জের সমাহার,
নাকি আশায় জীবন জীবনের শ্রী,
হয়ে যাবে পার।
জীবন তোমার প্রকৃত চাওয়া কী?
ভোগ বিলাশিতা, নাকি নারী,
নাকি পরশ্রী কাতরতায়
নয়ন ভরা ভারি।
জীবন তোমার মূল গন্তব্য কোথায়?
ব্রেক ফেল কোনো গাড়ি,
নাকি ধরেছো তুমি আড়ি,
নাকি কলা গাছের বেয়ালা নিয়ে
সাগরে দিলে পারি।
জীবন তোমার আশ্রয়স্থল কোথায়?
নাকি নাটাই বিহীন ঘুড়ি
যেমন করছো উড়া উড়ি,
নাকি অসৎ লোকের মতো করো
সৎ লোকের মাল চুরি।
জীবন তোমার থামার সময় কখন?
নাকি শীতার হাতের রাবণ,
নাকি অনলে দগ্ধ দহন,
নাকি কাল বৈশাখের পবন,
আমি বুজবো বলো কখন।

যাদের বাবা আছে তাদের জন্য আমার এই লেখা

 ফকির আজিম বিন শীহাব  বাবা সেতো এক বট বৃক্ষ, ক্লান্তিহীন এক ছায়া, নিজের জৌবন দিয়ে মোদের, শূন্য করে কায়া। আসলাম যবে মার জঠরে, করলো আমায়...